fbpx

ওয়েবসাইট তৈরীর সময় যে সাধারন ভুলগুলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায়ই করে থাকে

Share This Post

Share on facebook
Share on linkedin
Share on twitter
Share on email

ওয়েবসাইট তৈরীর সময় যে সাধারন ভুলগুলো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায়ই করে থাকে

আপনি কি এই ভুলগুলো করছেন? মিলিয়ে নিন এই আর্টিকেলটির সাথে

আর্বোআর্ট ডিজিটাল টিম

ব্যবসার জন্য বর্তমানে একটি মাইল ফলক হচ্ছে ওয়েবসাইটওয়েবসাইটের গুরুত্ব একটা ব্যাবসার জন্য ঠিক কতখানি তা অনেকেই জানেনাতাই অনেক ব্যাবসায়ী তাদের ব্যাবসা অফলাইনেই সীমাবদ্ধ রাখেন অবশ্য বর্তমানে অনেকেই উদ্যোক্তা অনলাইন ব্যাবসার দিকে ঝুকছেন তবে তাদেরও অনেকেই জানেনা কিভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ ভালো মানের ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় এছাড়া অনেক সময় ওয়েব ডিজাইনাররা ওয়েবসাইট ডিজাইন করার সময় তাদের কাছে যে বিষয়গুলি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় সেগুলিই ওয়েবসাইটে অন্তর্ভুক্ত করে ফলে দেখা যায় নির্দিষ্ট কোন ব্যাবসার জন্য ওয়েবসাইটটি যথেষ্ট কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারেনা

তো আপনি বলতে পারেন, কিভাবে একটি ভালো মানের ওয়েবসাইট তৈরি করব যেটা আমার ব্যাবসাকে সর্বোচ্চ সহায়তা করতে পারবে? একটি কার্যকর ওয়েবসাইটের অবশ্যই কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য থাকতে হবেপ্রথমেই যেটা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে, আপনার ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ হতে হবে যেন ব্যবহারকারী অনায়াসে আপনার সার্ভিস বা প্রোডাক্টগুলো খুজে নিতে পারে

ব্যাবসার উন্নতির স্বার্থে ওয়েব ডিজাইন এর সাধারন ভুল গুলি থেকে আপনার ওয়েবসাইটটিকে মুক্ত রাখতে চাইলে এখনই ওয়েবসাইট ডিজাইন সম্পর্কে আপনার পরিকল্পনা পুনরায় বিবেচনা করা উচিতযদি একটি নতুন ওয়েবসাইট বানাতে চান বা পূর্বের ওয়েবসাইট পুনরায় ডিজাইন করতে চান তবে কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে

ওয়েবসাইট তৈরীর সময় কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবেযেমন ধরুন-

  • ওয়েবসাইটের লক্ষ্য কি হবে ?
  • ঠিক কাদের উদ্দেশ্যে ওয়েবসাইট টি তৈরি করবো ?
  • আমি কিভাবে আমার ওয়েবসাইটে ব্যবহার কারী বা ক্রেতাদের নিয়ে আসব ?
  • ওয়েবসাইটটি কে আপডেট করবে এবং কতবার করবে ?
  • ওয়েবসাইট আপডেট করতে এবং এটার রক্ষণাবেক্ষণ করতে কি রকম খরচ হবে ?

এই বিষয়গুলা মাথায় রেখে যদি ওয়েবসাইট বানানো হয় তাহলে এটা ব্যাবসার জন্য সর্বোচ্চ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারবে আর যদি আপনার পূর্বেই কোন ওয়েবসাইট থাকে তবে সেটার ভুল গুলো চিহ্নিত করে সহজেই আপনি আপডেট করতে পারবেন

চলুন দেখে আসি ব্যবসায়ীরা তাদের ওয়েব ডিজাইন করার সময় সাধারনত কোন ভুল গুলো করে থাকে

১. DIY ওয়েবসাইট বিল্ডার দিয়ে নিজে ওয়েবসাইট বানানো

অনলাইনে প্রতিনিয়ত প্রচুর লোভনীয় বিজ্ঞাপন ভেসে বেড়াতে দেখা যায়। অল্প কিছু ডলারের বিনিময়ে নিজেই বানিয়ে ফেলুন নিজের ওয়েবসাইট কয়েকটি ক্লিক করেই একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারার সুযোগ আপাত দৃষ্টিতে লোভনীয় মনে হতে পারে।

বিজ্ঞাপনগুলি আপনাকে যা বলে না তা হ’ল এভাবে আসলে একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বানানো সম্ভব নয়। অনেকগুলো স্কিলের সমন্বয়ে একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরী হয়। মানসম্মত ডিজাইন, ক্রিয়েটিভ কপি ও গ্রাফিক্স, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন, ইউজার এক্সপেরিএন্স ডিজাইন ইত্যাদি ছাড়া হুট করে ড্র্যাগ এন্ড ড্রপের মাধ্যমে কোনোভাবেই একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বানানো সম্ভব নয়।

এরকম ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ DIY ওয়েবসাইট বিল্ডারের মাধ্যমে প্রচুর সময় নষ্ট করে একটা সাইট ডিজাইন করে সমস্ত কাজ করার পরে আপনি যে ওয়েবসাইটটি পাবেন সেটি আসলে খুবই নিম্ন মানের একটা সাইট আপনার সাইটটি হয়তো সার্চ ইঞ্জিনগুলিতে খুজেও পাওয়া যাবেনা এছাড়াও ওয়েবসাইটে ঐ প্রতিষ্ঠান বা বিজ্ঞাপন দাতার লোগো স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকবে। বুঝতেই পারছেন সাইট টির একচ্ছত্র স্বত্ব আপনার হাতে রইলো না। আপনার সাইটে অন্য কারো লোগো থাকাটাই আপনার ব্যাবসার পর্যাপ্ত ক্ষতি সাধন করার জন্য যথেষ্ট

তাই ওয়েবসাইট ডিজাইন করার জন্য ভালো ওয়েব ডেভলপার নিয়োগ করাটাই উত্তম পন্থা। একজন পেশাদার ডেভলপার নিযুক্ত করা হয়ত ব্যয়বহুল বলে মনে হচ্ছে, তবে একটি ভাল ডিজাইনের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারলে সেটা ঐ ব্যয়কে শত ভাগ পূরণ করে দিবে। 

২. “কম্পিউটারের কাজ ভালো জানে” এমন কোন তরুন কে আপনার ওয়েবসাইটটি বানাতে দেয়াঃ

আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে এটি প্রায়শই দেখা যায়।  “কম্পিউটারের কাজ ভালো জানা” বা “দ্রুত টাইপ করতে পারা” আপনার অসাধারন ওয়েবসাইটটি তৈরী করার জন্যে যোগ্যতা হতে পারেনা। 

ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভলপমেন্ট এর জন্য নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা বা দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে। একটি ভালো মানের ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে অনেকগুলো বিষয় সম্পর্কে ভালো দক্ষতা প্রয়োজন – কোড করা, ডিজাইন করা, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন করা, ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা কেমন হবে ঠিক করা, ছবি ও ভিডিও এডিট করা, ফটোগ্রাফি, ক্রিয়েটিভ কপি রাইটিং, এবং সর্বোপরি ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকা। 

৩. এনালিটিক্স টুল ব্যাবহার না করা

সাধারণত ব্যবসায়ীরা একটা ওয়েবসাইট খুলে কয়েকটি পন্য বিক্রয় করতে পারলেই সেটাকে সফলতা মনে করে তারা ওয়েবসাইটের কার্যকারিতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে নাবর্তমানে ওয়েবসাইটের কার্যকারিতা, উন্নতিঅবনতি, বিক্রয়ের হার ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য প্রচুর টুলস আছেকিন্তু বেশির ভাগ ব্যবসায়ীরাই এসব টুলস ব্যবহার করেনা

যদি আপনি নিয়মিত কার্যক্রম বিশ্লেষণ করেন তাহলে জানতে পারবেন আপনার সাইটে ব্যবহারকারী কারা, ওয়েবসাইটের কি কি আপডেট করা দরকার, কোন পন্যটির চাহিদা কেমন, কোন ব্যবহার কারী কি ধরনের পন্য পছন্দ করে, আপনার সপ্তাহে বা মাসে কতগুলা পন্য বিক্রয় হচ্ছে ইত্যাদিফলে আপনি সেই অনুযায়ী ব্যাবসা কে নিয়ন্ত্রণ করে লক্ষ্যে পৌছতে পারবেন

অনলাইনে বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বড় সুবিধা হচ্ছে সহজে পরীক্ষা করা যায়, সব কিছু নজরে রাখা যায় এবং সহজে ব্যবসার বিভিন্ন বিষয়ের সমন্বয় করা যায়

গুগল অ্যানালাইটিকস বহুল ব্যবহৃত একটি টুলস যেটার মাধ্যমে আপনি সহজেই ওয়েবসাইটের সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ব্যাপারে আপডেট থাকতে পারেন

এই ছবিটি দেখলে বুঝতে পারবেন গুগল অ্যানালাইটিকস এর মাধ্যমে আপনি কি কি তথ্য পেতে পারেনএই তথ্য গুলার প্রতিটিই একটা ব্যবসার জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ

৩. SEO করতে ভুলে যাওয়া

এখন বেশিরভাগ মানুষ যে কোন কিছু কেনার আগে গুগলে সার্চ করে দেখে। আপনার ওয়েবসাইটটিকে গুগল এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে অবশ্যই উপরের দিকে রাখতে হবে। সার্চ করে যদি ক্রেতারা ওয়েবসাইট খুজেই না পায় তাহলে কি ব্যবসা চলবে? মোটেও না

ব্যবসায় টিকতে হলে অবশ্যই ক্রেতার কাছে প্রথমে পৌছতে হবেতাই ওয়েবসাইট বানানোর সময়তেই SEO এর প্ল্যান করে ফেলা খুবই জরুরীSEO এর প্রথম ধাপ হচ্ছে কি ওয়ার্ড রিসার্চ। আপনি এমন কিছু কি-ওয়ার্ড খুজে যেটা লিখে সার্চ করলে আপনার ওয়েবসাইটটি প্রদর্শন করবে। তারপর আপনার ওয়েবসাইটটি এবং ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট গুলো সেই কিওার্ড গুলো দিয়ে অপ্টিমাইজ করতে হয়। কি-ওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য বিক্রেতা নয় বরং ক্রেতার অবস্থানে নিজেকে কল্পনা করে কার্যকর কি-ওয়ার্ড বের করতে হয়কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করার এবং ওয়েবসাইট এসইও করার বিভিন্ন পদ্ধতি আছেতাই এই কাজের জন্য দক্ষ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কাউকে দায়িত্ব দেয়াই যুক্তিযুক্তএই ক্ষেত্রেও বিষয়টি খরচ সাপেক্ষ মনে হতে পারে কিন্তু চিন্তা করে দেখুন, আপনি যে পণ্য বা সেবাটি বিক্রয় করছেন, গুগলে সেটি লিখে সার্চ করলে যদি আপনার ওয়েবসাইটটি সবার উপরে আসে, তাহলে আপনার বিক্রি কি পরিমানে বাড়তে পারে?

তাই সঠিক ভাবে এসইও করা হলে এই খরচ অবশ্যই পূরন হয়ে যাবে

৪. শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য ডিজাইন করা

গ্লোবালাইজেশনের এই যুগে সবার হাতে হাতেই স্মার্টফোন তাই বেশিরভাগ মানুষই স্মার্টফোনের মাধ্যমেই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করে এবং সেবা নিয়ে থাকে কিন্তু ওয়েবসাইটের মালিকরা অনেকেই শুধু কম্পিউটারের জন্য ওয়েবসাইট ডিজাইন করে থাকে যেটা স্মার্টফোনে ব্যাবহার করা কষ্টসাধ্য আবার অনেকেই স্মার্টফোন এর জন্য আলাদাভাবে ডিজাইন করলেও সেটাতে তেমন গুরুত্ব দেয়নাফলে নিম্ন মানের অভিজ্ঞতা পেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ক্রেতা হাতছাড়া হয়ে যায় মনে রাখতে হবে, আপনার ওয়েবসাইটটি এমন রেসপন্সিভ হতে হবে যেন সেটা ব্যবহার করতে ব্যবহারকারীর বিন্দু মাত্রও কষ্ট বা ভোগান্তি না হয়সব ধরনের ডিভাইসে আপনার সাইট যেন স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যায় এটা নিশ্চিত করতে হবেওয়েবসাইট পাবলিশ করার পূর্বে সব ডিভাইসে চালিয়ে টেস্ট করে দেখে নিতে হবে।    

৫. যোগাযোগের তথ্য সহজে খুজে না পাওয়া

গ্লোবালাইজেশনের এই যুগে সবার হাতে হাতেই স্মার্টফোন তাই বেশিরভাগ মানুষই স্মার্টফোনের মাধ্যমেই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নিয়মিত ভিজিট করে এবং সেবা নিয়ে থাকে কিন্তু ওয়েবসাইটের মালিকরা অনেকেই শুধু কম্পিউটারের জন্য ওয়েবসাইট ডিজাইন করে থাকে যেটা স্মার্টফোনে ব্যাবহার করা কষ্টসাধ্য আবার অনেকেই স্মার্টফোন এর জন্য আলাদাভাবে ডিজাইন করলেও সেটাতে তেমন গুরুত্ব দেয়নাফলে নিম্ন মানের অভিজ্ঞতা পেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ক্রেতা হাতছাড়া হয়ে যায় মনে রাখতে হবে, আপনার ওয়েবসাইটটি এমন রেসপন্সিভ হতে হবে যেন সেটা ব্যবহার করতে ব্যবহারকারীর বিন্দু মাত্রও কষ্ট বা ভোগান্তি না হয়সব ধরনের ডিভাইসে আপনার সাইট যেন স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যায় এটা নিশ্চিত করতে হবেওয়েবসাইট পাবলিশ করার পূর্বে সব ডিভাইসে চালিয়ে টেস্ট করে দেখে নিতে হবে।    

৬. ল্যান্ডিং পেজ বা হোম পেজকে গুরুত্ব না দেয়া

এইবার আসি ওয়েবসাইটের ল্যান্ডিং পেজের কথায়ল্যান্ডিং পেজ হচ্ছে সাইটের প্রথমকোন ব্যবহারকারী সাইটে প্রবেশ করলে প্রথম যে পেজটা দেখতে পাবে সেটাই ল্যান্ডিং পেজ।  ল্যান্ডিং পেজটা আপনি যথাসম্ভব আকর্ষণীয় সহজবোধ্য করে ডিজাইন করতে সক্ষমক্রেতাদের বোঝাতে হবে যে আপনি তাদের স্বাগত জানাচ্ছেনএই পেজে এমন বিষয়গুলির স্থান দিতে হবে যেন শুরুতেই ক্রেতা আপনার ব্র্যান্ড কার্যক্রম সম্পর্কে একটি ধারনা পেয়ে যায়এছাড়া বিভিন্ন অফার সমূহ এবং মান সম্মত পণ্যের সমাহারে সাজিয়ে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করাই এই পেজের কাজঅনেক সময় ক্রেতারা ল্যান্ডিং পেজে পরিষ্কার ধারনা না পাওয়ার কারনে সাইট ত্যাগ করে চলে যায়তাই প্রথমেই তাদের উৎসাহী করে তুলতে পারলে পরবর্তী তে তাদের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করা সহজ হবে

৭. বিশ্বাসযোগ্যতা না থাকা

যেকোন ধরনের ব্যবসার জন্য যে জিনিসটা অবশ্যই দরকার সেটা হচ্ছে ক্রেতার বিশ্বাস অর্জনআর অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে বিশ্বাস অর্জনের প্রয়োজনীয়তা আরও বেশিআপনার কাছ থেকে পণ্য কিনে যদি আমি কাঙ্ক্ষিত মান বা সেবা না পাই তাহলে আমার পরিচিত দের আপনার কাছে যাওয়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করব এটাই স্বাভাবিকতেমনি ভাবে,যদি ভালো সেবা পাই তাহলে অন্যদেরকেও পাঠাবো

কখনো যদি ক্রেতাদের বিশ্বাস ভঙ্গ করার মত কিছু করেন, তাহলে বুঝতেই পারছেন আপনি দীর্ঘদিনের জন্য প্রচুর ক্রেতা হারাবেনকাজেই আপনার সাইটকে এমন ভাবে সাজাতে হবে যেন সাইটে পদার্পণ করার সাথে সাথে ক্রেতার মনে আস্থা তৈরি হয়

 ওয়েবসাইটের যোগাযোগ, পেমেন্ট , ব্লগ অংশ, রেফারেন্স ইত্যাদির ক্ষেত্রে আপনি যেসব লিংক ব্যবহার করবেন তাতে ক্লিক করলে  সেগুলা যেন https পরিবর্তিত হয়ে যায় এটা খেয়াল রাখা প্রয়োজনীয়কারন এটা না হলে ব্রাউজারে মেসেজ আসে “this website is not secure”এই মেসেজ দেখার পর আমি নিজেও যেমন আপনার সাইটে থাকতে চাইব না  একই ভাবে ক্রেতারাও সাইট থেকে বেরিয়ে আসবে

৮. আপনার ওয়েবসাইটটি নতুন করে সাজান

হয়ত  আপনি কিছু ভুল করে ফেলেছেন সাইট তৈরির সময় – আপনার মত আরও অনেকেই প্রচুর ভুল করে ফেলে তাই বলে হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দিলে মোটেও চলবে না, পুনরায় কাজ শুরু করতে হবে নতুন উদ্যমে, যদি সেটা একদম প্রথম থেকে করতে হয় তবুও

ব্যবসায়ীরা নিজেদের পরিকল্পনা ও সঠিক ডিজাইনের ভুলে ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে হতোদ্যম হয়ে পড়ে ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারলে তবেই সম্ভব আপনার ব্যবসার জন্য উপযুক্ত একটি সফল ওয়েবসাইটের তৈরী করা

ওয়েবসাইট সংক্রান্ত কোন সাহায্য দরকার হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

ফ্রি ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজীবুক

ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার ব্যবসাকে আরো স্মার্ট আর দ্রুতগতিতে বাড়াতে চাইলে আপনার প্রয়োজন একটি ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজী।

আমাদের এই বইটি থেকে আপনি জেনে নিতে পারেন কিভাবে আপনার ব্যবসার জন্য একটি কার্যকর ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজী দাড়া করাবেন।

আরো পড়ুন

blogs

ফেসবুক বিজ্ঞাপনে সফলতা অর্জনের দ্রুত ও কার্যকর পদ্ধতি

ফেসবুকের সিইও মার্ক জুকারবার্গ জানিয়েছেন যে প্রায় ২.২ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ প্রতি মাসে ফেসবুক ব্যবহার করে। প্রতিদিন এটি ব্যবহার করে প্রায় 1.5 বিলিয়ন মানুষ। কাজেই যেসব

blogs

ব্যাবসায়িক ওয়েবসাইটের উন্নয়নের জন্য সঠিক টুলস নির্বাচন

ব্যবসার জন্য একটি ওয়েবসাইটের গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা কতটুকু তা সকলেই জানে। তাই ব্যবসার শুরু থেকেই প্রায় সকলের এ বিষয়ে একটি প্ল্যান থাকে এবং ওয়েবসাইট প্রস্তুত

ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে স্মার্টলি ব্যবসা বাড়াতে চান?

ফ্রি কন্সাল্টেশন সেশনের জন্যে যোগাযোগ করুন আজই

Close Menu

ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজীবুক

এই বইটি আপনাকে সাহায্য করবে আপনার ব্যবসার জন্যে একটি কার্যকর ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজী তৈরী করতে।
ফ্রি ডাউনলোড করতে আপনার নাম, ফোন নাম্বার এবং ইমেইল দিন।